*উত্তরা তুরাগে আবুল হোসেন মাদবরের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ২০২৬ অনুষ্ঠিত, প্রধান অতিথি জনাব এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন সংসদ সদস্য ঢাকা ১৮ আসন।
মোঃ সোহাগ মিয়া নিজস্ব প্রতিনিধি উত্তরা।
আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৫৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও তুরাগ থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন মাদবরের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার তুরাগের আবুল হোসেন মাদবর বাসভবনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৮ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও এলাকার সর্বস্তরের মানুষ।
*প্রধান অতিথির বক্তব্য*
প্রধান অতিথি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, "ঈদ পুনর্মিলনী আমাদের ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। আবুল হোসেন মাদবর দীর্ঘদিন ধরে তুরাগ থানা বিএনপির সাথে সম্পৃক্ত থেকে জনগণের সেবা করে যাচ্ছেন। ৫৪ নং ওয়ার্ডের মানুষের সুখে দুঃখে তিনি সবসময় পাশে থাকেন।"
তিনি আরও বলেন, "ঢাকা-১৮ আসনের উন্নয়নে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি। তুরাগের রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ও নাগরিক সেবার মান উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
"বিশেষ অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন মোঃ এম এ কফিল উদ্দিন যুগ্ন আহবায়ক মহানগর উত্তর বিএনপি মোঃ জামিল হোসেন সাবেক সহসভাপতি স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটি হাজী জহিরুল ইসলাম যুগ্ন আহবায়ক তুরাগ থানা বিএনপি হাজী শফিকুল ইসলাম সভাপতি ৫৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি
*আয়োজকের বক্তব্য*
আয়োজক আবুল হোসেন মাদবর তার বক্তব্যে বলেন, "ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে একে অপরের সাথে কুশল বিনিময়। এই পুনর্মিলনীর মূল উদ্দেশ্য হলো দলমত নির্বিশেষে ৫৪ নং ওয়ার্ডের সকল মানুষের সাথে সৌহার্দ্য বাড়ানো।"
তিনি আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৫৪ নং ওয়ার্ডবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। "আপনাদের সেবা করার সুযোগ পেলে ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য এলাকা হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ," যোগ করেন তিনি।
*অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন*
অনুষ্ঠানে তুরাগ থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সমাজসেবক এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা ৫৪ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
আলোচনা শেষে দুপুরের খাবারের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। পুরো আয়োজনটি এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।
এ ধরনের সামাজিক ও রাজনৈতিক মিলনমেলা এলাকার মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।