*ঢাকা ১৮ আসনের এমপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের পক্ষে কঠোর অবস্থান।তুরাগকে চাঁদাবাজ, কিশোর গ্যাং, অনলাইন জুয়া ও মাদকমুক্ত করতে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা তুরাগ থানা বিএনপি যুগ্ন আহবায়ক ও ৫৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিল পদপ্রার্থী হাজী মোঃ চান মিয়া বেপারী
মোঃ সোহাগ মিয়া প্রতিবেদনে
রাজধানীর উত্তরা তুরাগ এলাকাকে চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং, অনলাইন জুয়া ও মাদকমুক্ত করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ৫৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হাজী মোঃ চান মিয়া বেপারী। ঢাকা আসনের এমপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের পক্ষে তিনি এই ঘোষণা দেন।
বৃহস্পতিবার তুরাগ থানা এলাকায় আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে তিনি এই বার্তা দেন।
সভায় চান মিয়া বলেন, “তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমানের সহযোগিতায় এ পর্যন্ত ২০০০জন মাদকসেবী ও বিক্রেতাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান খুবই কঠোর।”
‘যে দলেরই হোক, ছাড় নেই’
মাদকের বিরুদ্ধে কঠিন হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “মাদক যে-ই বিক্রি করুক না কেন, সে যে দলেরই হোক না কেন তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তুরাগের যুবসমাজকে বাঁচাতে হলে মাদকের মূলোৎপাটন করতেই হবে।”
এলাকার শান্তি ফেরাতে পুলিশ, জনতা ও রাজনৈতিক নেতাদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন তিনি। তার ভাষ্য, “সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারে, সেটাই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য।”
রাজনৈতিক লড়াই ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার কথা তুলে ধরে চান মিয়া বলেন, “আমি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৫২টি মামলা খেয়েছি। এর মধ্যে ২টি মামলায় আমার সাজা হয়েছে। এত মামলা, এত জেল খাটার পরও আমি দল ছাড়িনি।”
আসন্ন কাউন্সিলর নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, “আমি কাউন্সিলর হই বা না হই, ৫৩ নং ওয়ার্ডের জনগণের সেবা করে যাব। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে জয়ের ব্যাপারে আমি ১০০% আশাবাদী। মানুষ আমার পাশে আছে।”
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তুরাগের বিভিন্ন পয়েন্টে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের সয়লাব চলছে। চান মিয়ার এই ঘোষণায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে বলে অনেকে মনে করছেন।
এদিকে তুরাগ থানা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে।