*ঢাকা-১৮ আসনে মাদক-চাঁদাবাজি-অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে তুরাগ থানা বিএনপির ও ৫৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী অভিযান, নেতৃত্বে আলহাজ্ব আমানুল্লাহ ভূঁইয়া।
*মোঃ সোহাগ মিয়া নিজস্ব প্রতিনিধি উত্তরা ঢাকা
*ঢাকা*: মাদক, চাঁদাবাজ কিশোর গ্যাং, অনলাইন জুয়া, সন্ত্রাস ও ফুটপাত দখলের বিরুদ্ধে ঢাকা-১৮ আসনকে পরিচ্ছন্ন রাখতে মাঠে নেমেছেন তুরাগ থানা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব আমানুল্লাহ ভূঁইয়া। ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের পক্ষে কাজ করে তিনি এলাকাজুড়ে গণসচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করছেন বলে জানা গেছে।
*যা করা হচ্ছে মাঠে*
স্থানীয় সূত্র ও তুরাগ থানা বিএনপির নেতাকর্মীদের বক্তব্য অনুযায়ী, আলহাজ্ব আমানুল্লাহ ভূঁইয়ার নেতৃত্বে কয়েকটি উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে:
1. *মাদকবিরোধী অভিযান*: এলাকার বিভিন্ন স্পটে মাদক সেবন ও বিক্রির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সভা, পথসভা ও লিফলেট বিতরণ। কিশোরদের মাদকের ভয়াবহতা বোঝাতে স্কুল-মাদ্রাসায় কাউন্সেলিং সেশনের আয়োজন করা হচ্ছে।
2. *কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ*: তুরাগ, উত্তরা, কামারপাড়া ও আশপাশের এলাকায় কিশোর গ্যাং কালচার রুখতে অভিভাবক ও স্থানীয় মুরুব্বিদের নিয়ে মতবিনিময় সভা। চাঁদাবাজদের তথ্য সংগ্রহ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা।
3. *অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে ডিজিটাল সচেতনতা*: তরুণ-যুবকদের টার্গেট করে অনলাইন জুয়া-বেটিং অ্যাপের ক্ষতিকর দিক নিয়ে ফেসবুক লাইভ, মাইকিং ও পোস্টার ক্যাম্পেইন চালানো হচ্ছে।
4. *ফুটপাত দখলমুক্তকরণ*: হকার ও অবৈধ স্থাপনার কারণে জনদুর্ভোগ কমাতে পৌরসভা ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ফুটপাত হাঁটার উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
*এমপি জাহাঙ্গীর হোসেনের ভূমিকা*
ঢাকা-১৮ আসনের এমপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের নির্দেশনা ও পৃষ্ঠপোষকতায় এই কার্যক্রমগুলো পরিচালিত হচ্ছে বলে তুরাগ থানা বিএনপি আহ্বায়ক আলহাজ্ব আমানুল্লাহ ভূঁইয়া জানান। তিনি বলেন, “মাননীয় এমপি মহোদয়ের লক্ষ্য একটি নিরাপদ, মাদকমুক্ত ও চলাচলযোগ্য ঢাকা-১৮ গড়ে তোলা। আমরা দলমত নির্বিশেষে সবার সহযোগিতা চাই।”
*স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া*
এলাকার বাসিন্দা ও দোকানিরা জানান, ফুটপাত দখল ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত কমাতে এমন উদ্যোগ দরকার ছিল। তবে টেকসই সমাধানের জন্য প্রশাসনিক কঠোরতা ও নিয়মিত মনিটরিং জরুরি বলেও অনেকে মনে করেন।
তুরাগ থানা বিএনপি জানিয়েছে, এই কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চলবে এবং যেকোনো অপরাধের তথ্য পেলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হবে।