তুরাগের ৫৩ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে লড়বেন সৎ সমাজসেবক মোঃ আবদুল আলী, বিগত আন্দোলনে ৫৭ মামলা মাথায় নিয়ে মাঠে ছিলেন
মোঃ সোহাগ মিয়া উত্তরা
তুরাগ থানার ৫৩ নং ওয়ার্ডে আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন বিএনপি নেতা মোঃ আবদুল আলী। এলাকায় "ক্লিন ইমেজের সমাজসেবক" হিসেবে পরিচিত এই নেতা বর্তমানে তুরাগ থানা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এবং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্রজীবনে তিনি সফল ছাত্রনেতা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।
রাজপথের লড়াই আর মামলার খড়গ
আবদুল আলীর রাজনৈতিক জীবনের বড় অংশ কেটেছে আন্দোলন-সংগ্রামে। দলীয় সূত্র ও তার ঘনিষ্ঠদের দাবি, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাকে রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।
তার বিরুদ্ধে মোট ৫৭টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। এর মধ্যে ৩টি মামলায় সাজা হয়েছে। রাষ্ট্রবিরোধী আন্দোলনের অভিযোগে তাকে ৭ দিন রিমান্ডে নেওয়া হয় এবং মোট ৯ মাস কারাভোগ করতে হয়। কারাগার থেকে বের হয়েও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে সরে যাননি।
দলের দুঃসময়ে তিনি তুরাগ থানা বিএনপির রূপসা ইউনিটের ইনচার্জ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানা গেছে।
"মানুষের পাশে থাকাই রাজনীতি"
৫৩ নং ওয়ার্ডের ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, করোনাকালীন সময় থেকে শুরু করে বন্যা, শীতবস্ত্র বিতরণ, গরিব শিক্ষার্থীদের সহায়তা এবং মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়নে আবদুল আলীকে নিয়মিত মাঠে দেখা গেছে। মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে তার কঠোর অবস্থানের কারণেই এলাকায় তিনি "ক্লিন ইমেজের" নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
এ বিষয়ে মোঃ আবদুল আলী বলেন:
*"আমি বিশ্বাস করি রাজনীতি মানে জনসেবা। গত ১৫ বছরে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে ৫৭টি মামলা মাথায় নিয়েছি, জেল খেটেছি। কিন্তু মানুষের ভালোবাসা আর দোয়াই আমার আসল শক্তি। ৫৩ নং ওয়ার্ডকে একটি মাদকমুক্ত, আলোকিত ও স্মার্ট ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য।"*
ওয়ার্ডবাসীর প্রত্যাশা
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা মনে করছেন, আবদুল আলীর ত্যাগ ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ৫৩ নং ওয়ার্ডে দলের ভিতকে আরও শক্তিশালী করবে। সাবেক ছাত্রনেতা এবং যুবসমাজের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ থাকায় তরুণ ভোটারদের মধ্যেও তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে দাবি তাদের।
নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, তুরাগের ৫৩ নং ওয়ার্ডে মোঃ আবদুল আলীকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে প্রচারণার গতি বাড়ছে। ওয়ার্ডবাসী এখন দেখতে চায়, ত্যাগী এই নেতা জনপ্রতিনিধি হয়ে ওয়ার্ডের উন্নয়নে কতটা ভূমিকা রাখতে পারেন।