তুরাগ ৫৪ নং ওয়ার্ডে হাজী জহিরের আয়োজনে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে রাজধানীর উত্তরা তুরাগ এলাকায় হাজী বাবর আলী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হাজী জহিরুল ইসলামের আয়োজনে প্রায় দুই হাজার নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে তুরাগের কামারপাড়া এলাকায় অবস্থিত হাজী জহিরুল ইসলামের নিজ বাসভবনে এ আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা শত শত অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষ ঈদ সামগ্রী গ্রহণের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে থাকেন। পরে সুশৃঙ্খল পরিবেশে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেল, চিনি, সেমাইসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত থেকে বিতরণ কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন। পুরো আয়োজনটি ছিল উৎসবমুখর ও মানবিক আবহে পরিপূর্ণ, যেখানে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে দেখা যায়। এসময় আয়োজক হাজী জহিরুল ইসলাম বলেন, “হাজী বাবর আলী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আমরা সব সময় মাদ্রাসা, এতিমখানা এবং আমাদের ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডে বসবাসরত অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন,পবিত্র রমজান মাস আমাদের ধৈর্য, সংযম ও মানবতার শিক্ষা দেয়। সেই শিক্ষা থেকেই আমরা চেষ্টা করেছি যেন কেউ ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না থাকে। তাই প্রায় দুই হাজার পরিবারের মাঝে আজ ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও আমাদের এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় উপকারভোগীরা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ তাদের জন্য ঈদের আনন্দকে আরও অর্থবহ করে তোলে। অনেকেই জানান, এই সহায়তা তাদের পরিবারের ঈদ উদযাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এলাকাবাসীর মতে, প্রতি বছর এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের ফলে সমাজে সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ আরও শক্তিশালী হচ্ছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে এবং সমাজের বিত্তবানদেরও এ কাজে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে। তাই এলাকাবাসী মনে করেন, হাজী জহিরুল ইসলামের মতো একজন জনবান্ধব ও মানবিক জনপ্রতিনিধি যদি ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তাহলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, তাঁর নেতৃত্বে ওয়ার্ডের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।