হাকিকুল ইসলাম খোকন, যুক্তরাষ্ট্র: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য, রাজনীতির বরপুত্র, জাতীয় বীর ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মরহুম তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল এবং ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস পালন করেছে শেখ হাসিনা পরিষদ জর্জিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।গত ৭ জুন ২০২৬, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জর্জিয়ার জাম জাম রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত শোকসভা, দোয়া মাহফিল ও ৬ দফা দিবসের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ নেতা ইউসুফ আলী পিন্টু।সভায় বক্তব্য রাখেন জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি ও জর্জিয়া স্টেট আওয়ামী লীগের সদস্য আরেফিন বাবুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা লাল মিয়া, জর্জিয়া মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নিহাল মাহমুদ, জাকিয়াম ইসলাম দুলাল, চিটাগাং আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এমডি ফুরকান, যশোর আওয়ামী লীগ নেতা এমডি ইউসুফ আলী, জর্জিয়া যুবলীগের সহ-সভাপতি পলাশ হোসেন, মাদারীপুর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এমডি আসলাম, শেখ হাসিনা পরিষদ জর্জিয়ার নেতা ওবায়েদ কবির, বাবু, মোহাম্মদ আলম, মনসুর আলী, ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল জলিল, রাজু, নূর হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা সিকদার বিশ্বজিৎ, আমিনুল ইসলাম, ইফতেখার আলম, এমডি কবির ও রিয়ান খানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় পাতায় তোফায়েল আহমেদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। বাঙালি জাতি চিরদিন তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।
তারা আরও বলেন, জাতীয় নেতা তোফায়েল আহমেদই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তোফায়েল আহমেদ অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছেন।
সভায় বক্তারা মরহুম তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। তারা বলেন, বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, জাতীয় বীর তোফায়েল আহমেদ ততদিন জাতির কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ৩ নভেম্বরের জাতীয় চার নেতা, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা আন্দোলন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, ২০২৪ সালের জঙ্গি হামলাসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত শহীদদের স্মরণ করা হয়। একই সঙ্গে জননেতা তোফায়েল আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, দবিরুল ইসলাম, রহমত উল্লাহ এবং অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ইনামুল হক শাহজাহানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন এবং মরহুমদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত অতিথিদের নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয়।