নতুন ফাদ মেয়ে প্রতারণা চক্র
নিজস্ব প্রতিবেদন
মোছাঃ জেসমিন আক্তার পিতা মোঃ মিজানুর রহমান মিলন মাতার নাম জোসনা বেগম ঠিকানাঃ খিলখেত উত্তর পাড়া মেম্বারের গলি মোছাঃ জেসমিন আক্তার স্থায়ী ঠিকানা সাং চরমোহনা উপজেলা রায়পুর জিলাঃ লক্ষ্মীপুর এই প্রতারক মেয়ে মানুের সাথে মিষ্টি কথা বলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে মানুষের নিঃস্ব করে দেয়। মোছাঃ জেসমিন আক্তার প্রথম স্বামী মোঃ হারুনুর রশিদ মোল্লা সাং চর মোহনা উপজেলা রায়পুর জিলাঃ লক্ষ্মীপুর ৬বছর সংসার করে এই ঘরে তিনটি ওরসজাত সন্তান রয়েছে ১টি ছেলে ২টি মেয়ে ছেলের মোঃ ফুয়াদ হাসান আলিফ মেয়েনাম আদীবা ও হিমি। জামাইয়ের সাথে ঝগড়া করে জামাইকে ডিভোর্স দেয় এবং কোর্টে মামলা করে কাবিনের টাকা জন্য। এক পর্যায়ে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। তারপর দ্বিতীয় বিয়ে করেন মোঃ উজ্জল মিয়া কে ৩মাস সংসার করার পর গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এবং কাবিনের টাকা দাবি করেন। ১৬/৫/২০২৩ ইং তারিখে তৃতীয় বিয়ে করেন মোঃ সুজন ইসলাম পিতা নুর ইসলাম থানা শ্রীপুর জেলাঃ গাজীপুর ৫লক্ষ টাকার কাবিনে দেনমোহরে বিবাহ করেন। ২৬/৯/২০২৫ ইংরেজি তারিখে ডিভোর্স দেন। এবং কাবিনের টাকা জন্য মামলা করেন। সিআর মামলা গাজীপুর এখনো চলমান আছে। এভাবে চলে জেসমিন আক্তার জিবন। তারপর মোবাইল মাধ্যমে পরিচয় হয় মোঃ সোহাগ মিয়া সাথে ফোনে কথা বলতে বলতে বন্ধুত এক পর্যায় বিয়েতে রূপ নেন। ২৮/৯/২০২৫ ইং তারিখে মোঃ সোহাগ মিয়া সাথে মোছাঃ জেসমিন আক্তার চতুর্থ বিয়ে সম্পন্ন হয়।বিয়ের একবছর যেতে না যেতে আবার শুরু হয় ভাংগন। গত ৫/৩/২০২৬ ইং তারিখে মোঃ সোহাগ মিয়া বাসা থেকে মোছঃ জেসমিন আক্তার ও তার ছেলে ফুয়াদ হাসন আলীফ ও তার তৃতীয় সাবেক স্বামী মোঃ সুজন ইসলাম আলমারী ভেঙে ৫ লক্ষ তিরিশ হাজার টাকা পালিয়ে যান। যা মামলা প্রক্রিয়াধীন। দৈনিক বাংলা নিউজ টিভি সাক্ষাৎকার মোঃ সোহাগ মিয়া বলেন কিছু অসাধু সাংবাদিক সহযোগিতার জেসমিন আক্তার। বিভিন্ন ভাবে মানুষ ব্ল্যাকমিল করে মামলার ভয় ভিতি দেখিয়ে টাকা নিয়ে মানুষদের কাছ থেকে নির্যাতন করে ছেড়ে দেই।তাই প্রশাসনের কাছে এইসব মেয়েদের যারা একাধিক বিয়ে করে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার ব্যবস্থা করা হোক।।