1. admin@dailybanglanewstv.com : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
উত্তরা তুরাগে গ্রীন কস্টম সোয়েটার কারখানায় তালা, সাবেক ডিআইজির বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ* আশুলিয়ার বাইসাইদে ফেব্রিকা গার্মেন্টসের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ, হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি* তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী চাঁন মিয়া বেপারীর একমাত্র মেয়ে তাসমিম সুলতানা ওড়িয়ার জন্মদিন আজ* ত্রিশালে ৪০ লাখ টাকার ভারতীয় কম্বলসহ কার্গো জব্দ, গ্রেপ্তার ২ সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের পাশে এমপি এস এম জাহাঙ্গীর ময়মনসিংহের ফুলপুরে মরহুম সুজউদ্দিন সুজা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল ও সৎ নেতৃত্বের প্রতীক আব্দুল আলীকে ৫৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে চায় সচেতন নাগরিক সমাজ* দায়িত্বশীল ও সৎ নেতৃত্বের প্রতীক আব্দুল আলীকে ৫৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে চায় সচেতন নাগরিক সমাজ* উত্তরার তুরাগে জমি দখল ও স্থাপনা ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ভুক্তভোগী মর্তুজার সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল আয়োজিত সি-ক্যাটাগরি ফার্মেসি কোর্সের ৬৪তম ব্যাচের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত, প্রধান অতিথি ঢাকা-১৮ আসনের এমপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন*

কাগমারী সম্মেলনে স্বাধীনতার পক্ষে প্রকাশ্য বীজ বুনেছিলেন মওলানা ভাসানী: জেএসএফ বাংলাদেশ

দৈনিক বাংলা নিউজ টিভি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১২৩ বার পঠিত

কাগমারী সম্মেলনে স্বাধীনতার পক্ষে প্রকাশ্য বীজ বুনেছিলেন মওলানা ভাসানী: জেএসএফ বাংলাদেশ

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজঃ

জাতীয় সম্মিলিতি ফোরাম ( জেএসএফ ) বাংলাদেশ কাগমারী সম্মেলনে দিবস উপলক্ষে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,এক বিবৃতিতে সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন বলেছেন, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৯৫৭ সালে কাগমারী সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে প্রকাশ্য ও রাষ্ট্র স্বাধীনতার বীজ বপন করেছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। মওলানা ভাসানী আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ভাসানীর অবদান মুছে ফেলে ইতিহাস বিকৃতি করেছে। মওলানা ভাসানীর জীবন ও কর্ম যথাযথভাবে নতুন প্রজন্মের কাছে উপস্থাপন করলে জাতি উপকৃত হবে।খবর আইবিএননিউজ।

১৯৫৭ সালের ৬, ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের কাগমারীতে মওলানা ভাসানী ৫৪টি তোরণের মধ্য দিয়ে ‘ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন’ উদ্বোধন করেন। কাগমারী সম্মলনে পশ্চিম পাকিস্তানিদের ‘ওয়ালাইকুম আসসালাম’ বলে পূর্ব পাকিস্তানের (বাংলাদেশ) স্বায়ত্তশাসনের দাবি উত্থাপন করেন তিনি। সম্মেলনে মওলানা ভাসানী স্বায়ত্তশাসনের যে দাবি জানিয়েছিলেন তারই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে স্বাধীনতার আন্দোলন দানা বাঁধে।

কাগমারী সম্মেলনে প্রদত্ব বক্তব্যে মওলানা ভাসানী শেষ পর্যায়ে রেগে উঠে শহীদ সোহরাওয়ার্দী কে লক্ষ্য করে বলেছিলেন,“শহীদ, তুমি আজ আমাকে পাক-মার্কিন সামরিক চুক্তি সমর্থন করতে বলছো। তুমি যদি আমাকে বন্দুকের নলের সামনে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাস করো, আমি বলবো, ‘না’! তুমি যদি আমাকে কামানের সামনে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাস করো আমি বলবো ‘না’! ‘না’! তুমি আমাকে যদি আমার কবরে গিয়েও জিজ্ঞাস করো সেখান থেকে আমি চিৎকার করে বলবো, ‘না’! ‘না’!

কাগমারী সম্মেলনের ফলশ্রুতির এই সভায় মওলানা ভাসানী তার বক্তৃতায় অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে বলেন, পূর্ববাংলা পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাসকদের দ্বারা শোষিত হতে থাকলে পূর্ববঙ্গবাসী তাদের সালামু ওয়ালাইকুম জানাতে বাধ্য হবে। এছাড়া কাগমারী সম্মেলনে ভাসানী পাক-মার্কিন সামরিক চুক্তি বাতিলের দাবি জানান। প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী সেই দাবি প্রত্যাখান করলে ১৮ই মার্চ আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন। একই বছর ২৫শে জুলাই তার নেতৃত্বে ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে ‘ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি’ (ন্যাপ) গঠিত হয়। ন্যাপ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভাসানী প্রকাশ্যে বামপন্থী রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন এবং এর পর থেকে সবসময় বাম ধারার রাজনীতির সাথেই সংশ্লিষ্ট ছিলেন। ১৯৫৮-র ৭ই অক্টোবর দেশে সামরিক শাসন জারি হলে মার্শাল আইয়ুব খান ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে সকল রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ১২ই অক্টোবর মাওলানা ভাসানীকে কুমুদিনী হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করা হয়। ঢাকায় ৪ বছর ১০ মাস কারারুদ্ধ থাকেন।

মওলানা ভাসানী ছিলেন একজন দূরদর্শী রাজনীতিবিদ। ১৯৫৭ সালে তিনি কাগমারী সম্মেলনে পাকিস্তানিদের উদ্দেশে ‘আস্সালামু আলাইকুম’ বলে তাদের থেকে আলাদা হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন এবং সে ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও আমাদের গৌরবময় স্বাধীনতা অর্জন। মওলানা ভাসানী বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণ, দেশের জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় ঐক্যের যে বাণী রেখে গেছেন, তা আমাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

কাগমারী সম্মেলনেই মওলানা ভাসানী সর্বপ্রথম বিশ্ববাসীর মনে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষের স্বাধিকার আন্দোলন সম্পর্কে ধারণা দেন। কাগমারী সম্মেলনে মওলানা ভাসানীর দাবিকৃত স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনই পর্যায়ক্রমে স্বাধীনতা আন্দোলনে রূপ নেয় এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট (হক-ভাসানী) তৎকালীন পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণ মানুষের ব্যাপক সমর্থনে বিজয়ী হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর