

*দায়িত্বশীল ও সৎ নেতৃত্বের প্রতীক আব্দুল আলীকে ৫৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে চায় সচেতন নাগরিক সমাজ*
মোঃ সোহাগ মিয়া উত্তরা (তুরাগ) প্রতিনিধি:*
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৫৩ নং ওয়ার্ডে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে কাউন্সিলর পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন তরুণ সমাজসেবক ও দায়িত্বশীল নেতা *আব্দুল আলী*। মাদকমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও কিশোর গ্যাং মুক্ত একটি আধুনিক মডেল ওয়ার্ড গড়ার লক্ষ্যে তাকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চায় ৫৩ নং ওয়ার্ডের সচেতন নাগরিকবৃন্দ।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা জানান, আব্দুল আলী শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি একজন মানবিক ও দায়িত্বশীল সমাজসেবক। তিনি তুরাগ থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
*কেন আব্দুল আলীকে চায় এলাকাবাসী?*
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়—
১. *সৎ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি:* এলাকায় তার বিরুদ্ধে কোনো চাঁদাবাজি, মাদক বা সন্ত্রাসের অভিযোগ নেই। তিনি একজন ক্লিন ইমেজের তরুণ নেতা।
২. *সবসময় পাশে থাকেন:* যেকোনো বিপদ-আপদ, অসুস্থতা কিংবা সামাজিক সমস্যায় তাকে সবার আগে পাওয়া যায়।
৩. *তরুণদের আইকন:* যুব সমাজকে মাদক ও কিশোর গ্যাং থেকে ফিরিয়ে এনে খেলাধুলা ও সুস্থ সংস্কৃতির দিকে আনার জন্য তিনি নিয়মিত কাজ করেন।
৪. *দায়িত্বশীল নেতৃত্ব:* তিনি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। দায়িত্ব পেলে তিনি তা যথাযথভাবে পালন করেন বলেই এলাকায় তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে।
৫৩ নং ওয়ার্ডের একজন সচেতন নাগরিক বলেন, “আমরা এমন একজন কাউন্সিলর চাই না যিনি শুধু নির্বাচনের সময় আসেন। আমরা এমন একজনকে চাই যিনি ২৪ ঘণ্টা আমাদের পাশে থাকবেন। আব্দুল আলী সেই দায়িত্বশীল মানুষ। তাই আমরা দল-মত নির্বিশেষে তাকেই কাউন্সিলর হিসেবে চাই।”
আরেকজন প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, “৫৩ নং ওয়ার্ডকে যদি সত্যিকার অর্থে একটি শান্তিপূর্ণ ও বাসযোগ্য ওয়ার্ড হিসেবে দেখতে চাই, তাহলে আব্দুল আলীর মতো শিক্ষিত, সৎ ও তরুণ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।”
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, আব্দুল আলী কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে ৫৩ নং ওয়ার্ডে রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, মশা নিধন, মাদক নির্মূলসহ সকল নাগরিক সমস্যার সমাধান হবে এবং একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে উঠবে।