1. admin@dailybanglanewstv.com : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
উত্তরা তুরাগে গ্রীন কস্টম সোয়েটার কারখানায় তালা, সাবেক ডিআইজির বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ* আশুলিয়ার বাইসাইদে ফেব্রিকা গার্মেন্টসের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ, হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি* তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী চাঁন মিয়া বেপারীর একমাত্র মেয়ে তাসমিম সুলতানা ওড়িয়ার জন্মদিন আজ* ত্রিশালে ৪০ লাখ টাকার ভারতীয় কম্বলসহ কার্গো জব্দ, গ্রেপ্তার ২ সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের পাশে এমপি এস এম জাহাঙ্গীর ময়মনসিংহের ফুলপুরে মরহুম সুজউদ্দিন সুজা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল ও সৎ নেতৃত্বের প্রতীক আব্দুল আলীকে ৫৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে চায় সচেতন নাগরিক সমাজ* দায়িত্বশীল ও সৎ নেতৃত্বের প্রতীক আব্দুল আলীকে ৫৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে চায় সচেতন নাগরিক সমাজ* উত্তরার তুরাগে জমি দখল ও স্থাপনা ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ভুক্তভোগী মর্তুজার সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল আয়োজিত সি-ক্যাটাগরি ফার্মেসি কোর্সের ৬৪তম ব্যাচের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত, প্রধান অতিথি ঢাকা-১৮ আসনের এমপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন*

ত্রিশালের সাপখালীতে কাঁচা রাস্তায় দুর্ভোগ, পাকা করার জোর দাবি এলাকাবাসীর”

আবুল কালাম আজাদ, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ৮১ বার পঠিত

“ত্রিশালের সাপখালীতে কাঁচা রাস্তায় দুর্ভোগ, পাকা করার জোর দাবি এলাকাবাসীর”

আবুল কালাম আজাদ, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ১১ নম্বর মোক্ষপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাপখালী গ্রামের সাপখালী বাজার থেকে জাকির ফকিরের ঘাট পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে। আনুমানিক ১৯৭৪ সালে নির্মিত এই কাঁচা রাস্তাটি আজও পাকা হয়নি, ফলে প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

এই রাস্তাটি শুধু একটি চলাচলের পথ নয়, এটি একটি জনবহুল এলাকার প্রধান সড়ক। সাপখালী বাজার থেকে শুরু হয়ে জাকির ফকিরের ঘাট পর্যন্ত এই সড়ক দিয়েই প্রতিদিন অন্তত দুই হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। শিক্ষার্থী, গার্মেন্টস শ্রমিক, কৃষক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, নারী ও শিশুসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের একমাত্র নির্ভরযোগ্য পথ এই রাস্তাটি।

প্রতিদিন সকাল-বিকেল অসংখ্য শিশু-কিশোর বিদ্যালয় ও মাদরাসায় যাতায়াত করে এই রাস্তা দিয়ে। তবে বর্ষাকালে রাস্তার অবস্থা এমন হয় যে, হেঁটে চলাও কষ্টকর হয়ে পড়ে। কাদা-পানিতে ভরা রাস্তাটি যেন মৃত্যুকূপে পরিণত হয়। বিশেষ করে অসুস্থ রোগী কিংবা প্রসূতি নারীদের হাসপাতালে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি থাকে না। এমনকি অনেক সময় এম্বুলেন্স দূরে থাক, পায়ে হেঁটে যাওয়ারও সুযোগ থাকে না।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা বছরের পর বছর ধরে কষ্ট পাচ্ছি এই রাস্তার কারণে। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তা ডুবে যায়, হেঁটে যাওয়ারও উপায় থাকে না। গর্ভবতী মায়েদের হাসপাতালে নেওয়ার সময় নানা ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হয়।”

আরেকজন বলেন, “স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করে। সরকারের কাছে আমাদের একটাই দাবি—এই রাস্তাটি যেন দ্রুত পাকা করা হয়।”

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনও পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কারের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। এলাকাবাসীর ভাষ্য মতে, বছরের পর বছর ধরে ভোট এলেই রাজনৈতিক নেতারা আশ্বাস দিয়ে যান, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না।

তাদের প্রাণের দাবি—এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি যেন দ্রুত পাকা করে দেওয়া হয়। এতে শুধু দুর্ভোগই কমবে না, বরং শিক্ষার পরিবেশ উন্নত হবে, রোগী পরিবহন সহজ হবে, নারীদের চলাফেরা নিরাপদ হবে এবং সামগ্রিকভাবে উন্নয়নের দ্বার খুলবে।

সাপখালী গ্রামের সচেতন জনগণ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছেন—“আমাদের দাবি একটাই—সাপখালী বাজার থেকে জাকির ফকিরের ঘাট পর্যন্ত সড়কটি দ্রুত পাকা করা হোক।”

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর