1. admin@dailybanglanewstv.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৫৩ নং ওয়ার্ডে তরুণ সমাজসেবক মোঃ আব্দুল আলীকে ঘিরে ভোটারদের আগ্রহ ঢাকা-১৮ আসনে এ বিনামূল্যে “আলোকিত কুরআন ২০২৬ সহজ কুরআন” কার্যক্রমের উদ্বোধন মহিলা ও শিশুদের অগ্রাধিকার, ওয়ার্ড ভিত্তিক কার্যক্রম শুরু এই ১ম ফুলপুরে কলেজ ভিত্তিক ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী শহীদ জিয়া- ও খালেদা জিয়ার আদর্শে রাজনীতি করতে চান আরাফাত রহমান কোকোর ক্রিয়া সংসদের তুরাগ থানার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ভুলু, সততা ও বৃক্ষপ্রেমে অনুপ্রেরণা শহীদ জিয়া- ও খালেদা জিয়ার আদর্শে রাজনীতি করতে চান আরাফাত রহমান কোকোর ক্রিয়া সংসদের তুরাগ থানারন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ভুলু, সততা ও বৃক্ষপ্রেমে অনুপ্রেরণা শহীদ জিয়া- ও খালেদা জিয়ার আদর্শে রাজনীতি করতে চান আরাফাত রহমান ক্রিয়া সংসদের কোকো তুরাগ থানা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ভুলু, সততা ও বৃক্ষপ্রেমে অনুপ্রেরণা ‎৩য় বারের মতো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন সাংবাদিক ডলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ফুলপুরে রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের প্রতিনিধির মতবিনিময় উত্তরায় রানাভোলা কাউন্সিলর মাঠে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়

স্পেন সরকার পাঁচ লাখ অভিবাসীকে স্বীকৃতি দেবে

দৈনিক বাংলা নিউজ টিভি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৪ বার পঠিত

স্পেন সরকার পাঁচ লাখ অভিবাসীকে স্বীকৃতি দেবে

 

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ

স্পেন সরকার দেশটিতে অবস্থানরত নথিহীন অভিবাসীদের জন্য একটি ‘সাধারণ ক্ষমা’ কর্মসূচি অনুমোদন দিয়েছে। এর আওতায় প্রায় পাঁচ লাখ নথিবিহীন অভিবাসী আইনি স্বীকৃতির জন্য আবেদন করতে পারবেন।খবর আইবিএননিউজ ।

প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের নেতৃত্বাধীন সরকার গত মঙ্গলবার এই কর্মসূচির অনুমোদন দেয়। স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ।খবরটি দিয়েছে আল–জাজিরা।

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো স্পেনেও অভিবাসনবিরোধী মনোভাব বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে স্পেন সরকারের এই উদ্যোগ দেশটিকে একটি ব্যতিক্রমী অবস্থানে নিয়ে এসেছে।

তবে সানচেজ সরকারের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক বিরোধিতাও সৃষ্টি করেছে। বিরোধী দলগুলোর পাশাপাশি সরকারি কিছু কর্মকর্তার মধ্যেও অসন্তোষ দেখা গেছে। তাঁদের মতে, এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
অভিবাসন আইন সংশোধনের জন্য ডিক্রি জারির মাধ্যমে দ্রুততার সঙ্গে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে আইনসভাকে পাশ কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে, যেখানে বর্তমান সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। এর আগে ‘সাধারণ ক্ষমা’ সংক্রান্ত একটি বিল আইনসভায় পাসের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল।

নতুন কর্মসূচি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারলে নথিহীন অভিবাসীরা এক বছরের জন্য স্পেনে বসবাস ও কাজের অনুমতির আবেদন করতে পারবেন।
স্পেনের অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী এলমা সাইজ জানান, বৃহস্পতিবার থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে এবং ২০ এপ্রিল থেকে সরাসরি আবেদন গ্রহণ করা হবে। এই প্রক্রিয়া চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত।
আবেদনের জন্য কিছু শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। আবেদনকারীকে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারির আগে স্পেনে প্রবেশ করতে হবে এবং কমপক্ষে পাঁচ মাস বসবাসের প্রমাণ দেখাতে হবে। এছাড়া কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড থাকা যাবে না। যাঁদের আবেদন অনুমোদিত হবে, তাঁরা এক বছর পর স্থায়ী বসবাস ও অন্যান্য কাজের অনুমতির জন্য আবেদন করার যোগ্য বিবেচিত হবেন।

স্পেনের জনসংখ্যায় বয়স্ক মানুষের হার বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী সানচেজ এই সমস্যার সমাধানে অভিবাসীদের সম্পৃক্ত করতে চান। তাঁর মতে, এই উদ্যোগ একটি ‘ন্যায়সংগত ও প্রয়োজনীয়’ পদক্ষেপ।
তবে বিরোধী দল পিপলস পার্টির নেতা আলবার্তো নেজ ফেইহো এই উদ্যোগকে ‘অমানবিক, অন্যায্য, অনিরাপদ এবং অ-টেকসই’ বলে সমালোচনা করেছেন। যদিও এই মধ্য ডানপন্থী দলটি ক্ষমতায় থাকাকালে চলতি শতকের শুরুতে দুবার একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিল।

সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় পাঁচ লাখ নথিহীন অভিবাসী বৈধ হওয়ার সুযোগ পাবেন, যা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে।

স্পেনে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। গত মঙ্গলবার আল-জাজিরার এক ভিডিওতে বার্সেলোনায় বাংলাদেশিদের আনন্দ উদ্যাপন করতে দেখা যায়। বৈধতার সুযোগ পাওয়ায় তাঁরা প্রধানমন্ত্রী সানচেজকে ধন্যবাদ জানান।

বাংলাদেশি অভিবাসী মুরুল ওয়াইদ আল-জাজিরাকে বলেন, এখানে কাজ নেই, থাকার জায়গা নেই—জীবন খুবই কঠিন। তাই বৈধ হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় সবাই এখন খুব খুশি।

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ স্পেন সরকার দেশটিতে অবস্থানরত নথিহীন অভিবাসীদের জন্য একটি ‘সাধারণ ক্ষমা’ কর্মসূচি অনুমোদন দিয়েছে। এর আওতায় প্রায় পাঁচ লাখ নথিবিহীন অভিবাসী আইনি স্বীকৃতির জন্য আবেদন করতে পারবেন।খবর আইবিএননিউজ ।
প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের নেতৃত্বাধীন সরকার গত মঙ্গলবার এই কর্মসূচির অনুমোদন দেয়। স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ।খবরটি দিয়েছে আল–জাজিরা।

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো স্পেনেও অভিবাসনবিরোধী মনোভাব বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে স্পেন সরকারের এই উদ্যোগ দেশটিকে একটি ব্যতিক্রমী অবস্থানে নিয়ে এসেছে।

তবে সানচেজ সরকারের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক বিরোধিতাও সৃষ্টি করেছে। বিরোধী দলগুলোর পাশাপাশি সরকারি কিছু কর্মকর্তার মধ্যেও অসন্তোষ দেখা গেছে। তাঁদের মতে, এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
অভিবাসন আইন সংশোধনের জন্য ডিক্রি জারির মাধ্যমে দ্রুততার সঙ্গে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে আইনসভাকে পাশ কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে, যেখানে বর্তমান সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। এর আগে ‘সাধারণ ক্ষমা’ সংক্রান্ত একটি বিল আইনসভায় পাসের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল।

নতুন কর্মসূচি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারলে নথিহীন অভিবাসীরা এক বছরের জন্য স্পেনে বসবাস ও কাজের অনুমতির আবেদন করতে পারবেন।
স্পেনের অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী এলমা সাইজ জানান, বৃহস্পতিবার থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে এবং ২০ এপ্রিল থেকে সরাসরি আবেদন গ্রহণ করা হবে। এই প্রক্রিয়া চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত।

আবেদনের জন্য কিছু শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

আবেদনকারীকে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারির আগে স্পেনে প্রবেশ করতে হবে এবং কমপক্ষে পাঁচ মাস বসবাসের প্রমাণ দেখাতে হবে। এছাড়া কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড থাকা যাবে না। যাঁদের আবেদন অনুমোদিত হবে, তাঁরা এক বছর পর স্থায়ী বসবাস ও অন্যান্য কাজের অনুমতির জন্য আবেদন করার যোগ্য বিবেচিত হবেন।

স্পেনের জনসংখ্যায় বয়স্ক মানুষের হার বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী সানচেজ এই সমস্যার সমাধানে অভিবাসীদের সম্পৃক্ত করতে চান। তাঁর মতে, এই উদ্যোগ একটি ‘ন্যায়সংগত ও প্রয়োজনীয়’ পদক্ষেপ।

তবে বিরোধী দল পিপলস পার্টির নেতা আলবার্তো নেজ ফেইহো এই উদ্যোগকে ‘অমানবিক, অন্যায্য, অনিরাপদ এবং অ-টেকসই’ বলে সমালোচনা করেছেন। যদিও এই মধ্য ডানপন্থী দলটি ক্ষমতায় থাকাকালে চলতি শতকের শুরুতে দুবার একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিল।

সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় পাঁচ লাখ নথিহীন অভিবাসী বৈধ হওয়ার সুযোগ পাবেন, যা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে।

স্পেনে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। গত মঙ্গলবার আল-জাজিরার এক ভিডিওতে বার্সেলোনায় বাংলাদেশিদের আনন্দ উদ্যাপন করতে দেখা যায়। বৈধতার সুযোগ পাওয়ায় তাঁরা প্রধানমন্ত্রী সানচেজকে ধন্যবাদ জানান।

বাংলাদেশি অভিবাসী মুরুল ওয়াইদ আল-জাজিরাকে বলেন, এখানে কাজ নেই, থাকার জায়গা নেই—জীবন খুবই কঠিন। তাই বৈধ হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় সবাই এখন খুব খুশি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর