
উত্তরায় ফুটপাত ও অবৈধ বিলবোর্ড উচ্ছেদ অভিযান*
নেতৃত্বে ডিসি উত্তরা ট্রাফিক ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, সহযোগিতায় ‘ক্লিন জোন’
মোঃ সোহাগ মিয়া নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর যানজট নিরসন ও পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে মঙ্গলবার উত্তরা এলাকায় ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে ট্রাফিক পুলিশ। জসিমউদ্দিন মোড় থেকে হাউজ বিল্ডিং পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ফুটপাত দখল ও অবৈধ বিলবোর্ড অপসারণ করা হয়।
উক্ত অভিযানে নেতৃত্ব দেন *ডিসি উত্তরা ট্রাফিক*। তার সঙ্গে ছিলেন *উত্তরা জোনের এডিসি মোঃ রুবেল হক* এবং *বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামান*। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাদের সঙ্গে মাঠে ছিলেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা।
অভিযানে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন *‘ক্লিন জোন’* সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করে। সংগঠনের সদস্যরা ফুটপাত দখলকারীদের সচেতন করেন এবং উচ্ছেদকৃত মালামাল অপসারণে সহায়তা করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, জসিমউদ্দিন থেকে হাউজ বিল্ডিং পর্যন্ত সড়কের পাশে গড়ে ওঠা দোকানের সাইনবোর্ড, টেবিল-চেয়ার ও হকারদের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। একইসঙ্গে অনুমোদনবিহীন ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড নামিয়ে ফেলা হয়। এতে সড়কের প্রশস্ততা বেড়েছে এবং যান চলাচল অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে।
*ডিসি উত্তরা ট্রাফিক* বলেন, “ফুটপাত জনগণের চলাচলের জন্য। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে এটি দখল করে রাখায় পথচারী ও যানবাহন উভয়ই ভোগান্তিতে পড়ছিল। জনস্বার্থে এই অভিযান চলমান থাকবে।”
*এডিসি মোঃ রুবেল হক* জানান, “উত্তরা জোনকে যানজটমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখতে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করব। সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানাই।”
*বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামান* ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কয়েকজনকে জরিমানা করেন এবং ভবিষ্যতে ফুটপাত দখল না করার জন্য সতর্ক করেন।
‘ক্লিন জোন’-এর সমন্বয়করা জানান, তারা শুধু উচ্ছেদ নয়, সচেতনতার কাজও করছেন। “একটি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ উত্তরা গড়তে আমরা ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে কাজ করে যাব,” বলেন সংগঠনের এক স্বেচ্ছাসেবী।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের দাবি, এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে উত্তরা হবে আরও বাসযোগ্য।
ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, আগামী দিনগুলোতে উত্তরার অন্যান্য পয়েন্টেও পর্যায়ক্রমে একই ধরনের অভিযান পরিচালিত হবে।