
*চাঁদাবাজ, মাদক, অনলাইন জুয়া ও কিশোরগ্যাং মুক্ত উত্তরা-তুরাগ গড়ার অঙ্গীকার সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মো. নুরুদ্দিনের*
মোঃ সোহাগ মিয়া নিজস্ব প্রতিনিধি
*উত্তরা, ঢাকা*
— “চাঁদাবাজি, মাদক, অনলাইন জুয়া ও কিশোরগ্যাংমুক্ত উত্তরা-তুরাগ গড়তে হবে” — এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন উত্তরা-তুরাগ এলাকার সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মো. নুরুদ্দিন।
স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে হলে এলাকা থেকে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার রোধ করতে হবে। একইসাথে চাঁদাবাজি ও কিশোরগ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বন্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
*নুরুদ্দিনের বক্তব্যের মূল অংশ:*
– *মাদকমুক্ত এলাকা*: স্কুল-কলেজের আশেপাশে মাদকবিরোধী নজরদারি জোরদার ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন চালানোর কথা বলেন তিনি। তরুণদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চায় যুক্ত করার ওপর জোর দেন।
– *অনলাইন জুয়া প্রতিরোধ*: অভিভাবক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সন্তানদের ডিজিটাল আসক্তি বিষয়ে সচেতন করতে আহ্বান জানান। অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার দাবি তোলেন।
– *চাঁদাবাজি বন্ধ*: ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষ যাতে চাঁদাবাজির শিকার না হয়, সেজন্য প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগের কথা বলেন।
– *কিশোরগ্যাং নির্মূল*: কিশোরদের বিপথে যাওয়ার পেছনে বেকারত্ব ও সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবকে কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন। তাদের জন্য কর্মমুখী প্রশিক্ষণ ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেন।
তিনি আরও বলেন, “উত্তরা-তুরাগ আমাদের আবাসভূমি। এই এলাকাকে যদি আমরা নিরাপদ ও বাসযোগ্য করতে চাই, তবে মাদক-জুয়া-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আপসহীন থাকতে হবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই অঙ্গীকারে কাজ করে যাব এবং সবার সহযোগিতা চাই।”
সভায় উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক ও ব্যবসায়ীরা তার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। অনেকেই বলেন, এলাকার শান্তি ফেরাতে এমন জনপ্রতিনিধি ও সাবেক নেতাদের সক্রিয় ভূমিকা দরকার।
সর্বশেষ তিনি উত্তরা-তুরাগের সর্বস্তরের মানুষকে দল-মত নির্বিশেষে এই সামাজিক আন্দোলনে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান।