
নিজস্ব প্রতিবেদক
ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সদস্য ওয়াহেদুজ্জামান মিঠুন ও ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি যুবদল নেতা একেএম আরিফুল হকের রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা ও সামাজিক সুনাম নষ্ট করার জন্য একটি কুচক্রী মহল বিভিন্ন ফেইক ফেজবুক আইডি দিয়ে বিভ্রান্তমূলক লিখালিখি করছে বলে জানিয়েছেন তারা। উক্ত ঘটনাকে নেক্কারজনক ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন উভয় নেতা।
এ বিষয়ে যুবদল নেতা ওয়াহিদুজ্জামান মিঠুন বলেন, আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। মরহুম আব্দুর রাজ্জাক চেয়ারম্যান ও আবুল কাশেম চেয়ারম্যানের সাহেবের ভাতিজা। অবিভক্ত ফুলপুর-তারাকান্দা উপজেলার সাবেক জনপ্রিয় ও সফল চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল মতিন মতির ছোট ভাই। আমাদের পরিবারের আরওআর সিএস সম্পর্কে ফুলপুর-তারাকান্দা বাসী অবগত আছেন
আমাদের পূর্বপুরুষেরা জনকল্যাণে মানুষের জন্য কি করে গেছেন তা সবাই জানেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে ফুলপুরে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করবেন না। ত্যাগীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ করুন। তা নাহলে কিন্তু ফলাফল ভাল হবে না। আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমান ফুলপুর-তারকান্দা আসনের ধানের শীষ যার হাতে তুলে দেবেন আমরা তার সাথেই থাকবো।
অপরদিকে, যুবদল নেতা একেএম আরিফুল হক বলেন, ফুলপুরের কিংবদন্তি স্বপ্নদ্রষ্টা, ফুলপুর ডিগ্রী কলেজ ও ফুলপুর হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম একেএম ফজলুল হক দুদু মিয়ার নাতি আমি। আমার পরিবারের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সকলেই অবগত আছেন। আমার দাদা ফুলপুরের মানুষের জন্য কি করে গিয়েছেন তা সকলেই জানেন। ফেইক আইডি দিয়ে লেখালেখি করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে রাজনীতি থেকে দূরে সরাতে পারবেন না। যতদিন বেঁচে থাকব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেই যাব। মিথ্যা ষড়যন্ত্র করে দাবিয়ে রাখতে পারবেন না।
এখনো সময় আছে ভালো মানুষের কাতারে আসেন। জনগণের পালস্ বোঝেন। আওয়ামী আতাত রাজনীতি বন্ধ করেন। সময় কিন্তু কাউকেই ছাড় দেবে না।
পরিশেষে, ওইসব ফেইক আইডির বিরুদ্ধে দ্রুতই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান ত্যাগী ওই দুই নেতা।