
জেসমিন আক্তার রিপোর্টার উত্তরা
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে হামলা, মামলা আর জেল-জুলুম তাকে দমাতে পারেনি। শহীদ জিয়ার আদর্শ বুকে নিয়ে এখনও মাঠে আছেন তিনি। তিনি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এবং বর্তমান তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী মো: চান মিয়া বেপারী।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যেই গণসংযোগ শুরু করেছেন তৃণমূলের এই জনপ্রিয় নেতা। তবে তার দাবি একটাই — আমি নেতা হতে চাই না, ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর খাদেম হয়ে কাজ করতে চাই।
*সংগ্রামের ৪ দশক*
১৯৮০ সালের ১ জানুয়ারি তুরাগ থানার রানাভোলায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম চান মিয়ার। পিতা মৃত খোরশেদ আলম ও মাতা রাবেয়া বেগম। কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পাশের পর ১৯৯৬ সালে হাজী মোস্তফা জামানের হাত ধরে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন।
আওয়ামী লীগের বিগত শাসনামলে রাজপথের লড়াকু এই সৈনিকের উপর নেমে আসে দমন-পীড়ন। তার বিরুদ্ধে রয়েছে *৫২টি মামলা*। এর মধ্যে ২টি মামলায় ৫ বছর করে সাজার রায়ও হয়েছে। ২০১৮ সালে দ্বিতীয় সন্তান জন্মের সময়ও জেলের কারণে স্ত্রীর পাশে থাকতে পারেননি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
*জুলুমেও আপস নয়*
সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে আবেগাপ্লুত হয়ে চান মিয়া বলেন, _”শহীদ জিয়ার আদর্শ বুকে ধারণ করে সব নীরব সহ্য করেছি। অন্যায়ের কাছে মাথা নত করিনি। জনগণের ভালোবাসাই হলো দলের দুঃসময়ে আমার মূল শক্তি।
*৫৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে পরিকল্পনা*
কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে ওয়ার্ডের রাস্তা, ড্রেনেজ, মাদকমুক্ত সমাজ ও তরুণদের কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দেবেন বলে জানান তিনি। তার মতে, জনপ্রতিনিধি মানে প্রভু নয়, জনগণের সেবক।