
মাদক, চাঁদাবাজি ও জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স — ৫৪ নং সভাপতি হাজী শফিকুল ইসলাম পক্ষে ভাটুলিয়া ও নয়ানীচালা সাধারণ সম্পাদক মোঃ আখতার হোসেনের কঠোর অবস্থানের ঘোষণা
নিজস্ব প্রতিনিধি
মাদক, চাঁদাবাজ কিশোর গ্যাং, অনলাইন জুয়া, ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় নয়। এই বার্তা দিয়েই ৫৪ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হাজী শফিকুল ইসলামের পক্ষে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা দিলেন ভাটুলিয়া ও নয়নী চালা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আখতার হোসেন।
মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি এই ঘোষণা দেন।
আখতার হোসেন যা বললেন
সভায় মোঃ আখতার হোসেন বলেন,
“৫৪ নং ওয়ার্ডকে আমরা মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও শান্তির ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ওয়ার্ড সভাপতি হাজী শফিকুল ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী, মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ কিশোর গ্যাং, অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িত এবং ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান হবে কঠোর। এখানে কোনো আপস নেই।
তিনি আরও বলেন, “যুব সমাজকে ধ্বংস করছে অনলাইন জুয়া ও মাদক। কিশোর গ্যাংয়ের নামে চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুদের দৌরাত্ম্য সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে। হাজী শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে আমরা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে এদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলব।
৫ দফা জিরো টলারেন্স নীতি
সভায় ঘোষিত নীতির মূল বিষয়গুলো হলো:
1. *মাদক:* ওয়ার্ডের কোনো স্থানে মাদক সেবন ও বিক্রি হতে দেওয়া হবে না। তথ্য পাওয়া মাত্রই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হবে।
2. *কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি:* স্কুল-কলেজ ও বাজার এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের চাঁদাবাজি কঠোরভাবে দমন করা হবে।
3. *অনলাইন জুয়া:* তরুণদের অনলাইন জুয়ার ফাঁদ থেকে রক্ষায় পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হবে।
4. *ভূমিদস্যু:* গরিবের জমি দখল ও জাল দলিলের বিরুদ্ধে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
5. *সন্ত্রাস:* এলাকায় কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম বরদাস্ত করা হবে না।
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া
এলাকাবাসী এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। অনেকেই বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা কিশোর গ্যাং ও মাদকের উৎপাত নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। নেতাদের এই কঠোর অবস্থান এলাকায় শান্তি ফেরাতে সাহায্য করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
সভায় ভাটুলিয়া ও নয়নী চালা ইউনিটের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সবাই ওয়ার্ড সভাপতির নেতৃত্বে এই জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।