
সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে ইফতার করলেন এমপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন
মো:শাহজালাল সুমন, উত্তরা ঢাকা
:পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্যকে সামনে রেখে মানবিক কর্মসূচির অংশ হিসাবে ঢাকা–১৮ আসনের উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় সুবিধাবঞ্চিত, পথচারী ও ছিন্নমূল মানুষের সঙ্গে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উত্তরা পশ্চিম থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মিলন মিয়ার উদ্যোগে আয়োজিত এই ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা–১৮ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র যুগ্ম আহ্বায়ক আখতার হোসেন, আহ্বায়ক সদস্য আব্দুস সালাম সরকার, আলী আকবর, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ জামির হোসেন, দক্ষিণখান থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাবুদ্দিন সাগর, উত্তরা পশ্চিম থানা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন,আপনারা আমাকে ভোট দিয়েছেন আপনাদের ভালো থাকার জন্য। কিন্তু মানুষকে ভালো রাখতে হলে আগে নিজেকে ভালো রাখতে হয়। আমি নিজে কখনো কোনো খারাপ কাজ করব না এবং আমার দলীয় নেতাকর্মীরাও যেন কোনো অন্যায়ে জড়িত না হয়, সে বিষয়েও আমি কঠোর থাকব। তিনি আরও বলেন,আপনারা যেহেতু আমাকে ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য বানিয়েছেন, তাই সরকারের কাছ থেকে যে সকল সুযোগ-সুবিধা আসবে, সেগুলো সবার আগে আপনাদের মাঝেই ভাগ করে দেব। আপনারাই আমার প্রতিবেশী, আপনারাই আমার শক্তি। ফ্যামিলি কার্ডসহ সরকারের সকল সামাজিক নিরাপত্তামূলক সুবিধা আপনারা পাবেন, ইনশাআল্লাহ। এ সময় তিনি এলাকাবাসীকে সমাজে অন্যায়, অত্যাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সমাজকে ভালো রাখতে হলে জনপ্রতিনিধির পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও দায়িত্ব রয়েছে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রয়াত নেতা আরাফাত রহমান কোকো-র রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয় এবং রোজাদার মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়। দোয়া শেষে রোজাদার ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে তবারক ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে মানবিকতা, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যা এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে।