1. admin@dailybanglanewstv.com : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
উত্তরা তুরাগে গ্রীন কস্টম সোয়েটার কারখানায় তালা, সাবেক ডিআইজির বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ* আশুলিয়ার বাইসাইদে ফেব্রিকা গার্মেন্টসের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ, হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি* তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী চাঁন মিয়া বেপারীর একমাত্র মেয়ে তাসমিম সুলতানা ওড়িয়ার জন্মদিন আজ* ত্রিশালে ৪০ লাখ টাকার ভারতীয় কম্বলসহ কার্গো জব্দ, গ্রেপ্তার ২ সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের পাশে এমপি এস এম জাহাঙ্গীর ময়মনসিংহের ফুলপুরে মরহুম সুজউদ্দিন সুজা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল ও সৎ নেতৃত্বের প্রতীক আব্দুল আলীকে ৫৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে চায় সচেতন নাগরিক সমাজ* দায়িত্বশীল ও সৎ নেতৃত্বের প্রতীক আব্দুল আলীকে ৫৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে চায় সচেতন নাগরিক সমাজ* উত্তরার তুরাগে জমি দখল ও স্থাপনা ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ভুক্তভোগী মর্তুজার সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল আয়োজিত সি-ক্যাটাগরি ফার্মেসি কোর্সের ৬৪তম ব্যাচের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত, প্রধান অতিথি ঢাকা-১৮ আসনের এমপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন*

স্বাধীনতা তবু স্বাধীন নই: অবহেলিত মহব্বতপুরের কান্না”

স্থান: মহব্বতপুর, তারাকান্দা, ময়মনসিংহ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ জুন, ২০২৫
  • ২৪০ বার পঠিত

স্বাধীনতা তবু স্বাধীন নই: অবহেলিত মহব্বতপুরের কান্না”

স্থান: মহব্বতপুর, তারাকান্দা, ময়মনসিংহ

১৯৭১-এ এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছরের বেশি সময় পরেও ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার মহব্বতপুর গ্রামের মানুষ এখনো ‘পরাধীন’। পরাধীন না কোনো বিদেশি শক্তির কাছে, বরং উন্নয়ন বঞ্চনার শৃঙ্খলে।

মহব্বতপুরে নেই কোনো ওয়ার্ড মেম্বার, নেই ইউনিয়ন পরিষদের কার্যকরী তদারকি। স্থানীয়দের দাবি, তাদের গ্রামটি এককভাবে কোনো ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত নয়, অথবা সীমানা জটিলতায় পড়ে গেছে। ফলে চেয়ারম্যান কিংবা মেম্বারের কোন নজরদারি নেই গ্রামটিতে।

“ভোটের সময় নেতারা আসে, প্রতিশ্রুতি দেয়। তারপর পাঁচ বছর খুঁজেও পাই না কাউকে,” — বলেন স্থানীয় একজন প্রবীণ।

বর্ষাকালে কাদায় ডুবে যায় রাস্তাঘাট, শুকনো মৌসুমে ধুলোয় অন্ধকার। স্কুলে যেতে হয় হাঁটু কাদা মাড়িয়ে, রোগীকে হাসপাতালে নিতে হয় বাঁশের খাটিয়ায়। বিদ্যুৎ এলেও লো-ভোল্টেজ ও ঘন ঘন লোডশেডিং যেন নিত্য সঙ্গী।

 

গ্রামে , নেই চিকিৎসাকেন্দ্র। সবচেয়ে কাছের ক্লিনিক ৬ কিলোমিটার দূরে। শিক্ষার হারও নিম্নমুখী—বিশেষ করে মেয়েদের স্কুলছুট হওয়ার হার বেশি।

বৃদ্ধ রশিদ মিয়া বলেন,

“আমি পাকিস্তান দেখছি, যুদ্ধ দেখছি, স্বাধীনতা দেখছি। কিন্তু জীবনে কোনো উন্নয়ন দেখি নাই। স্বাধীনতা কাগজে আছে, গ্রামে নাই!”

এমন অবস্থায় প্রশ্ন উঠে—কেন এই গ্রাম প্রশাসনিক কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত নয়? ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট জবাব পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা বলছেন, বারবার আবেদন করেও কোনো সাড়া মেলেনি।

গ্রামকে ইউনিয়নের আওতায় আনতে হবে প্রশাসনিকভাবে

দ্রুত মেম্বার ও চেয়ারম্যান মনোনয়ন নিশ্চিত করতে হবে

গ্রামে রাস্তাঘাট, স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণ করতে হবে

সরকারি নজরদারি ও বাজেট বরাদ্দ দিতে হবে

বাংলাদেশ ডিজিটাল হোক, স্মার্ট হোক—তা হোক উন্নয়নশীল দেশের তালিকায়। কিন্তু এই মহব্বতপুরের মতো অবহেলিত গ্রামগুলো রয়ে গেলে স্বাধীনতার স্বপ্ন শুধুই শহরের বাতিতে সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।
আজ, স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পরেও যদি কোনো মানুষ নিজ ভূমিতে প্রশাসনিক স্বীকৃতি না পায়—তবে সত্যিকার অর্থে আমরা কতটুকু স্বাধীন?

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর