
৫৩ নং ওয়ার্ডে তরুণ সমাজসেবক মোঃ আব্দুল আলীকে ঘিরে ভোটারদের আগ্রহ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে ৫৩ নং ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে তরুণ সমাজসেবক ও রাজনৈতিক কর্মী মোঃ আব্দুল আলীকে ঘিরেও ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে বলে তার সমর্থকদের দাবি।
দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় আব্দুল আলী ৫৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি তুরাগ থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন বলে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানান।
রাজনীতির পাশাপাশি সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও যুক্ত রয়েছেন আব্দুল আলী। করোনাকালীন সময়ে অসহায় ও নিম্নআয়ের পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদান, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণের মতো উদ্যোগে তিনি অংশ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকার রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহযোগিতা করেছেন তিনি। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় তার একটি সামাজিক যোগাযোগ ও পরিচিতি তৈরি হয়েছে বলে তার সমর্থকদের দাবি।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি প্রত্যাশা করছেন, যিনি এলাকার নাগরিক সমস্যা নিয়ে নিয়মিত কাজ করবেন এবং সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন। আব্দুল আলীর সমর্থকদের মতে, তার দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড তাকে এ ক্ষেত্রে এগিয়ে রাখছে।
আব্দুল আলীকে ঘিরে আলোচনায় উঠে আসছে ওয়ার্ডের বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা ও সম্ভাব্য উন্নয়ন পরিকল্পনাও। মাদকমুক্ত পরিবেশ তৈরি, যানজট নিরসন, খেলার মাঠ সংরক্ষণ এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরির বিষয়গুলোকে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
এ বিষয়ে মোঃ আব্দুল আলী বলেন, “রাজনীতি মানে ক্ষমতা নয়, সেবা। আপনাদের ভালোবাসা ও দোয়া নিয়ে ৫৩ নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও বাসযোগ্য ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
নির্বাচন সামনে রেখে ৫৩ নং ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা আরও বাড়তে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের মতামত ও নির্বাচনী পরিস্থিতিই নির্ধারণ করবে, কার প্রতি তাদের সমর্থন কতটা রয়েছে