1. admin@dailybanglanewstv.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৫৩ নং ওয়ার্ডে তরুণ সমাজসেবক মোঃ আব্দুল আলীকে ঘিরে ভোটারদের আগ্রহ ঢাকা-১৮ আসনে এ বিনামূল্যে “আলোকিত কুরআন ২০২৬ সহজ কুরআন” কার্যক্রমের উদ্বোধন মহিলা ও শিশুদের অগ্রাধিকার, ওয়ার্ড ভিত্তিক কার্যক্রম শুরু এই ১ম ফুলপুরে কলেজ ভিত্তিক ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী শহীদ জিয়া- ও খালেদা জিয়ার আদর্শে রাজনীতি করতে চান আরাফাত রহমান কোকোর ক্রিয়া সংসদের তুরাগ থানার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ভুলু, সততা ও বৃক্ষপ্রেমে অনুপ্রেরণা শহীদ জিয়া- ও খালেদা জিয়ার আদর্শে রাজনীতি করতে চান আরাফাত রহমান কোকোর ক্রিয়া সংসদের তুরাগ থানারন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ভুলু, সততা ও বৃক্ষপ্রেমে অনুপ্রেরণা শহীদ জিয়া- ও খালেদা জিয়ার আদর্শে রাজনীতি করতে চান আরাফাত রহমান ক্রিয়া সংসদের কোকো তুরাগ থানা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ভুলু, সততা ও বৃক্ষপ্রেমে অনুপ্রেরণা ‎৩য় বারের মতো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন সাংবাদিক ডলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ফুলপুরে রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের প্রতিনিধির মতবিনিময় উত্তরায় রানাভোলা কাউন্সিলর মাঠে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কর্মসূচি

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৫ বার পঠিত

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কর্মসূচি

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বাঙালি জাতির জীবনের এক অবিস্মরণীয় দিন। পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর দুঃশাসন ও শোষণের শৃঙ্খল ভেঙে বাঙালি জাতিসত্তা বিনির্মাণের প্রথম সোপান। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হতে না হতেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আমাদের মুখের ভাষা “বাংলা” কেড়ে নিতে চায়। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা দিলেন ‘উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা”। এই ঘোষণার বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলার ছাত্রসমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হয়ে ওঠে। বিক্ষোভে ফেটে পড়ে পূর্ববাংলার ছাত্র-জনতা। ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সর্বাত্মক সাধারণ ধর্মঘট ও হরতালের আহ্বান করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই হরতাল কর্মসূচীর নেতৃত্ব প্রদান করেন। যার ফলে তাঁর উপর পুলিশি নির্যাতন চালানো হয় এবং ঐ দিনই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বঙ্গবন্ধুর গ্রেফতারের পর ছাত্রলীগের নেতৃত্বে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা পরিষদ গঠন করা হয়। সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৪৯ সালের এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ২৪ জন নেতৃবৃন্দকে জননিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার করা হয়। মুচলেকা প্রদানের মাধ্যমে অনেকে নিজেদের মুক্ত করলেও বঙ্গবন্ধু তাঁর নীতি ও আদর্শের প্রতি অটল ছিলেন। এর পর এই আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়লেও ১৯৫২ সালের শুরু থেইে তা ভিন্ন রূপ লাভ করে। ১৯৫২ সালের জানুয়ারি মাসের বঙ্গবন্ধু আটকাবস্থায় গোপনে বৈঠক করে ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা দিবস পালন ও সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ গঠনের নির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি ১৯৫২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু জেল হাসপাতালে থেকে কতিপয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ২১ ফেব্রুয়ারি হরতাল ডেকে গণপরিষদ ঘেরাও করার পরামর্শ দেন। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠার দাবিতে এই আন্দোলন দমনের লক্ষ্যে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা জারি করে। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবোধে উজ্জীবিত সংঘবদ্ধ ছাত্র-জনতাকে কোনোভাবেই দাবিয়ে রাখা যায়নি। “রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই” শ্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে বাংলার আকাশ-বাতাস। ঢাকার রাজপথ রঞ্জিত হয় রফিক, শফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ নাম না জানা অগণিত শহিদের রক্তে। ভাষা আন্দোলনের গতিবেগ দমিয়ে রাখতে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে কারান্তরীণ রাখে। তবে জেলে অবস্থানকালেই বঙ্গবন্ধু ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলার প্রতিষ্ঠা’ ও ‘রাজবন্দীদের মুক্তি’-র দাবিতে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এক সপ্তাহের অনশন করেছিলেন। মায়ের ভাষার অধিকার ও রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল বীর বাঙালি জাতির লড়াই-সংগ্রাম আর বীরত্বের গৌরবগাঁথা অধ্যায়। শহিদের রক্তে রঞ্জিত অমর একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির আত্মপ্রতিষ্ঠা, আত্মবিকাশ ও আত্ম-বিশ্লেষণের দিন।

বায়ান্ন’র অমর একুশের পথ ধরেই ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিসংবাদিত নেতৃত্বে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ‘৫২-এর ভাষা আন্দোলনের বীর শহিদদের চেতনা ও দেশপ্রেম ধারণ করে ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্ত আর দু’লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রম হানির মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালে মুক্ত হয় আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি, প্রিয় বাংলাদেশ। পৃথিবীর মানচিত্রে সৃষ্টি হয় লাল সবুজের পতাকা, একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।

মহান শহিদ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কর্মসূচি:

***প্রভাতফেরি সহকারে জাতীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন।

***মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা।

দেশব্যাপী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক জেলা ও উপজেলা শাখা পর্যায় পর্যন্ত এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মসূচি গ্রহণ ও তা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর