
মোঃ আল মামুন (পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি)ঃ
পিরোজপুর জেলার, ভান্ডারিয়া থানার, তেলিখালি ইউনিয়নের, ১ নং ওয়ার্ড, উওর তেলিখালির সকল মানুষের একটাই প্রশ্ন, কি করছে বর্তমান সরকারের পুলিশ প্রশাসন।এমন প্রশ্নের রহস্য কি জানতে চাওয়ায় এলাকার সবার অভিযোগ একজন ব্যাক্তির উপর। খোজ নিয়ে জানা যায় উল্লেখযোগ্য অই ব্যক্তির নাম মোঃ সগির গাজী (৪২), পিতা- মৃতঃ আমির গাজী, প্রকাশ্য পেশায় তিনি একজন জেলে হলেও আসলে তার আড়ালে সে একজন উন্মুক্ত মাদকাসক্ত মাদক বিক্রেতা।
এছাড়াও রাতের আধারে এলাকার অনান্য জেলের নদীতে মাছ ধরার জাল, নৌকা চুরি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়, জানা গেছে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায়, অত্র এলাকার ও পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকজন আওয়ামীলীগ নেতার ছত্রছায়ায় থেকে করেছেন একের পর এক চুরি, ছিনতাই, উন্মুক্ত মাদকদ্রব্য সেবন, ও মাদক বিক্রি।শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়, এলাকার ছোট, বড়ো, বয়স্ক মহিলাদেরকেও রাস্তাঘাটে চলাফেরা করার সময় বিভিন্নভাবে তাদের সাথে অশ্লীল আচরণ ও শারীরিক স্বম্পর্ক করার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলেছে। জানা গেছে প্রায় সময় তিনি হাতে রাম-দা, চাইনিজ কোরাল, চাপাতি, আরো ভিবিন্ন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে অবাধে উন্মুক্ত চলাফেরা করে বেড়ান। কেউ তার এমন আচরণের কারণে বিরক্ত বা ক্ষোভ প্রকাশ করার কথা ভাবলেও তাকে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেন।
এসব কর্মকান্ডের সত্যতা যাচাই-বাছাই করার জন্য, খোজখবর নিলে জানা যায়, তার এসব কর্মকাণ্ড, অত্যাচার এর বিরুদ্ধে কয়েক বছর আগে এলাকার কয়েকজন তরুনরা প্রতিবাদ করলে, তাদেরকে মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করে এবং তার ফ্যামিলির তার আরো দুই ভাই কবির গাজী, ও জসিম গাজী মিলে প্রতিবাদকারীদের একজনকে কুপিয়ে মেরে ফেলার চেস্টা করে। সেই মামলা সহ আরো একাধিক মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
প্রানহানির ভয়ে সবাই জিম্মি তার কাছে তাই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক। তাই গোপনে এলাকার ছোট বড়ো সবার কাছে প্রশ্ন রাখলে বেড়িয়ে আসে তার আরো অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এলাকার বেশিরভাগ মহিলারা এমনকি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েরাও তার কুদৃষ্টির স্বীকার। অনেকের ঘরে ভিবিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রসহ গিয়ে তার সাথে দৈহিক স্বম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন, এমনকি তাদের মারধরের ঘটনাও জানা গেছে।খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায় তার হাত থেকে নিস্তার পায়নি সম্পর্কে তার চাচি। তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে সে রাজি না হওয়ায় তাকে হাতুড়ি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে আহত করেন। এরকম অগনিত ধর্ষণ, হত্যাচেষ্টা, মাদক মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবুও পুলিশ কিছু বলছেনা অবাধে চলাফেরা করার কারন জানতে চাইলে জানা যায়, বিগত সরকারের আমলে পুলিশকে টাকাপয়সা এবং নদির বড়ো বড়ো ইলিশ মাছ ধরে তাদেরকে থানায় দিয়ে আসার কথা জানা যায়। বিভিন্নভাবে ভাবে তার নামে পাওয়া অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হতে, খোজখবর নিয়ে জানা গেছে তার নামে ভান্ডারিয়া থানা সহ, পিরোজপুর মহামান্য আদালতেও একাদিক মামলা রয়েছে।
এমনো জানা গেছে অনেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে থানায়, আদালতে মামলা করলে তাকে শারীরিক নির্যাতন, এমনকি একই এলাকার কয়েকজনকে কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত করার প্রকাশ্য ঘটনা রয়েছে। এতকিছুর পরেও স্বৈরাচার সরকার পতনের পরেও তিনি তার এসব কর্মকাণ্ড উন্মুক্তভাবেই এখনো চালিয়ে যাচ্ছে।তিনি একাই নন তার এসব কর্মকাণ্ডের সাথে ওতোপ্রোতো ভাবেই জড়িয়ে আছে তারই আপন দুই ভাই, কবির গাজী (৩২), জসিম গাজী (২৬), আরো আশেপাশের কয়েকজন মাদকাসক্ত ভাই বন্ধু।
তার এসব অত্যাচার, হামলা, মিথ্যা মামলা, মারধর, কুপিয়ে মেরে ফেলার চেস্টা, ও ধর্ষণের স্বীকার অনেকেই এবং তাও প্রকাশ্য দিবালোকেই এসব কর্মকাণ্ড করে বেড়াচ্ছে। এতকিছুর পরেও সরকার পতনের পরেও কি এই জালেমের বিচার হবেনা, এমন প্রশ্ন এখন অত্র এলাকার সকল মানুষের।
তার এসব অত্যাচারে পুরো একটা এলাকার সকল মানুষ জিম্মি। এমন সন্ত্রাস, ধর্ষনকারী নির্মুল করতে কর্মরত স্বেচ্ছাসেবী সকল দল, সংগঠন সহ পুলিশ প্রশাসন এর কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার ভুক্তভোগী সহ সকল জনগণ।